কলমি শাকের উপকারীতা


কলমি শাক আমাদের দেশে অতি পরিচিত একটি শাকের নাম। এক ধরনের  কলমির ডগা লাল আর অন্যটির ডগা দেখতে সাদা-সুবজ। এর প্রতি ১০০ গ্রাম (আহারোপযোগী) শাকে ১০৭৪১ মাইক্রোগ্রাম ক্যারোটিন আছে। অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের মধ্যে আমিষ ১.৮ গ্রাম, শর্করা ৯.৫ গ্রাম, চর্বি ০.১ গ্রাম, ক্যালসিয়াম ১০৬ মিলিগ্রাম, লৌহ ৩.৯ মিলিগ্রাম, ভিটামিন-বি ০.৫৪ মিলিগ্রাম, ভিটামিন-সি ৪১ মিলিগ্রাম এবং খাদ্যশক্তি রয়েছে ৪৬ কিলোক্যালরি। ভিটামিন-এ’র অভাবে আমাদের দেশে প্রতি বছর ৪ লাখ ৯৯৯ হাজার শিশু রাতকানায় আক্রান্ত হচ্ছে। একই কারণে প্রতিদিন গড়ে ৯৯ থেকে ১০০ এবং বছরে ২৯ হাজার থেকে ৩০ হাজার শিশু একেবারেই অন্ধ হয়ে যায়। অথচ ক্যারোটিনসমৃদ্ধ অন্যান্য খাবারের পাশাপাশি কলমি শাক খেলে এ জাতীয় রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকেই না। শিশুরা যেন পর্যাপ্ত বুকের দুধ পেতে পারে এজন্য মায়েদের কলমিশাক খাওয়া অতি প্রয়োজন। ভিমরুল, বোলতা বা মৌমাছিতে কামড়ালে  অথবা শিং, ট্যাংরা মাছের কাটা ফুটলে কলমি শাকের পাতা ও ডগা বেটে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে দিলে কিছুক্ষণ পরেই ব্যথা কমে যায়।


আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, আপনার মূল্যবান সময় নষ্ট করে পড়ার জন্য।

আরও পড়ুন

Online news

No comments

Powered by Blogger.